প্রতিবেদন রচনা | Bengali Report Writing

Photo of author

Follow G-News

প্রতিবেদন রচনা

অন্যদের শেয়ার করুন

সুপ্রিয় বন্ধুরা, আজকে আমি তোমাদের সাথে শেয়ার করতে চলছি কয়েকটি প্রতিবেদন রচনা, যেগুলি তোমাদের বিভিন্ন ভাবে সহায়তা করবে এমনকি বিভিন্ন পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও যথেষ্ট ভাবে সহায়তা করবে।

আজকে আমি তোমাদের সাথে শুধুমাত্র প্রতিবেদন রচনাই শেয়ার করব এর সম্পর্কিত বেস কিছু প্রশ্ন উত্তরও শেয়ার করব, যেগুলি তোমাদের প্রতিবেদন রচনা সম্পর্কে আরও সুষ্ঠ জ্ঞান প্রদান করবে। যা প্রতিবেদন লিখতে আপনাদের অনেক সহায়তা করবে।

প্রতিবেদন রচনা লেখার নিয়ম

১। প্রতিবেদন কি?

উত্তর: প্রতিবেদন হল এমন একটি লেখ বিবরণী যা সংবাদপত্র বা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

২। প্রতিবেদন এর বিষয় কি কি?

উত্তর: মূলত সব বিষয় নিয়েই প্রতিবেদন লেখা যায়, তবে সামাজিক কোন সমস্যা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কোন বিষয়, এমনকি রাষ্ট্রনৈতিক কোন বিষয় এর ওপর সাধারণ প্রতিবেদন রচনা করা হয়।

৩। প্রতিবেদন কত-রকমের হতে পারে?

উত্তর: সংবাদ ভিত্তিক, সাক্ষাৎকার ভিত্তিক, সম্পাদকীয়, বিশেষ, বিজ্ঞাপন ভিত্তিক প্রভৃতি।

৪। কোন গুণের জন্য প্রতিবেদনকে ভালো বলা হয়?

উত্তর: প্রতিবেদন যদি তথ্যনিষ্ঠ যথাযথ এবং পাঠকের বোধগম্যতা ও কৌতুহল সৃষ্টি করতে পারে তা হলেই তাকে ভালো প্রতিবেদন বলা হবে।

৫। প্রতিবেদনের ভাষা কীরকম হওয়া উচিত?

উত্তর: প্রতিবেদনের ভাষা হবে সহজ, সরল গদ্যে লেখা। সাধারণ ভাবে বললে শিক্ষিত মানুষের মনের উপযোগী।

৬। প্রতিবেদনে শিরোনামের পর কি লেখা হয়?

উত্তর: ‘বিশেষ সংবাদদাতা, কলকাতা, ৭ মে, ২০১৯’; ‘নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা, ৭ মে, ২০১৯’; ‘বিশেষ প্রতিবেদক, কলকাতা, ৭ মে, ২০১৯’।

উপরিক্ত প্রশ্ন গুলি একপ্রকার প্রতিবেদন রচনার সূত্রবলী বা নিয়মাবলী, যেগুলির ওপর ভিত্তি করেই প্রতিবেদন রচনা করা হয়ে থাকে।

প্রতিবেদন রচনা উদাহরণ

দীঘায় সমুদ্র স্নানের আনন্দে ভাটা

নিজস্ব সংবাদদাতা, দীঘা: ২মে, ২০১৯ দীঘার সমুদ্র সৈকতে যখন মানুষজন সমুদ্রের ঢেউয়ের সাথে আনন্দ উপভোগ করছিল, তখনই দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে এক আকস্মিক সংবাদ আসে। সমুদ্র উপকূলে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার ছাড়াবে।

পুলিশ প্রশাসন ও সমাজসেবী যুবগোষ্ঠী সঙ্গে সঙ্গেই সমুদ্রের বালিয়াড়িতে ছুটে এসে সবাইকে সতর্ক করে দেয়। ভ্রমণকারীরা দ্রুত হোটেলে ফিরে যায় এবং পথচারীরা রাস্তার ধারের দোকানগুলিতে আশ্রয় নিতে ভয় পায়। পুলিশ প্রশাসন থেকে ঘোষণা করা হয় যে, উপকূলবর্তী সব মানুষকে সুরক্ষিত এলাকায় আশ্রয় নিতে হবে। ফলে দোকানগুলোও দ্রুত খালি করে নেওয়া হয়।

নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছানোর চেষ্টায় অনেকেই আহত হয়েছেন তবে সম্পূর্ণরূপে হতাহতের সংখ্যা এখনো জানা যায়নি। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে মুষলধারে বৃষ্টি। মনে হচ্ছে মেঘগুলো যেন সমুদ্র থেকে জল নিয়ে স্থলভাগে ঢেলে দিচ্ছে। বাতাসের গতি এখনও ততটা প্রবল নয়। যদিও মূল দীঘায় কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থা রয়েছে, উপকূলবর্তী গ্রামের মানুষ ক্ষতির আশঙ্কায় দিন গুনছে।

এমন পরিস্থিতির জন্য কেউ প্রস্তুত ছিল না। ফলে ভ্রমণ পিপাসুরাও কদিনের জন্য আটকা পড়ে গেল। দীঘা উপকূলবর্তী অঞ্চলে গ্রীষ্মকালীন ধান পেকে উঠেছে। চাষিদের চিন্তার শেষ নেই। ঝড়ে পাকা ধান জমিতে ঝরে পড়বে। এ মুহূর্তে তাদের কোনো কিছু করারও উপায় নেই। এমনিতেই চাষিরা খুব কষ্টে আছে, তার উপর ঝড় এসে ধান নষ্ট করলে তাদের আত্মহত্যা করা ছাড়া উপায় থাকবে না। আর ভ্রমণ পিপাসুরাও তাদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হলো।

কলেজে প্রতিষ্ঠা দিবস উদ্যাপন

নিজস্ব সংবাদদাতা, বর্ধমান ১৩ জানুযারী: গত ১২ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজ কলেজে প্রতিষ্ঠাদিবস উদযাপন করা হয়। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন এবং বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাদিবস একই সাথে পালিত হওয়ায় এ দিনটি বিশেষ মহিমায় মুখরিত ছিল কলেজ প্রাঙ্গণ।

অনুষ্ঠানের সূচনা করেন কলেজের অধ্যক্ষ নিরঞ্জন মণ্ডল মহাশয়। তিনি কলেজের প্রাচীন ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, বর্ধমানের রাজারা প্রথমে রাজ কলিজিয়েট স্কুলের বিল্ডিংয়ে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শুরু করেন এবং পরে শ্যামসায়রের পশ্চিম তীরে এটি স্থানান্তরিত করা হয়। তার বর্ণনায় উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘ ইতিহাস সম্পর্কে অবগত হন। অনুষ্ঠানে বর্ধমানের রাজ পরিবার গবেষক নীরোদবরণ বাবুও উপস্থিত ছিলেন। তিনি কলেজের প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা কার্যক্রমের শুরু এবং ছাত্রসংখ্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্বে স্বামী বিবেকানন্দকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। বর্ধমান রামকৃষ্ণ মঠের পরিচালক স্বামীজীর চিকাগো বক্তৃতার তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন। কলেজের অন্যান্য অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা এই মহতী সভায় উপস্থিত ছিলেন।

ছাত্র-ছাত্রীরা সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে তাদের সাংস্কৃতিক প্রতিভার প্রকাশ করে। তারা শপথ নেয় কলেজের ঐতিহ্য রক্ষা করা তাদের প্রধান দায়িত্ব। অনুষ্ঠানের শেষে কলেজের শিক্ষাকর্মীদের একটি নাটকের মাধ্যমে দিনটি সমাপ্ত হয়।

এই দিনটি কলেজের অধ্যাপক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠাদিবস উদযাপন একটি উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়।

লকডাউনে বিপর্যস্ত জনজীবন

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা, ৩ মে ২০২০: আবারও বাড়ল লকডাউনের মেয়াদ। তৃতীয় পর্যায়ের লকডাউন চালু হচ্ছে ৪ মে থেকে। চলবে ১৪ দিন। মার্চের ২৫ থেকে লকডাউন বজায় থাকায় নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের। মাত্র ২৪ ঘণ্টার নোটিশে লকডাউন ঘোষণা করায় বেশিরভাগ মানুষজনই প্রয়োজনীয় রসদ সংগ্রহ করতে পারেননি। চল্লিশ দিনের পরও গৃহবন্দির মেয়াদ ক্রমেই বাড়তে থাকায় মধ্যবিত্তের ভাঁড়ার বাড়ন্ত।

এদিকে শাকসবজির পাশাপাশি দাম বেড়েছে ভোজ্য তেলেরও। কারখানা বন্ধ হওয়ার ফলে বন্ধ উৎপাদন। যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে দামে। বাজারে এখন হাত ঠেকানোই দায়। মার্চের শুরুর দিকে পেঁয়াজ এবং টমেটোর দাম কিছুটা আয়ত্তের মধ্যে আসলেও, পাল্লা দিয়ে বেড়েছে প্রতি কিলো মূল্য। অর্থনীতিবিদ এবং কৃষি বিশেষজ্ঞদের মত, যেহেতু বেশ কিছু জায়গায় মজুত সামগ্রী রয়ে গিয়েছে প্রচুর পরিমাণে এবং বিক্রি কমেছে তাই সেই হারে দামও বেড়েছে। তবে সবচেয়ে বিপর্যস্ত হয়েছে স্বল্প পুঁজির সংসার। নুন আনতে পান্তা ফুরোনোর দৌড়ে নুন-পান্তা দুটোরই আকাল। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টায় কমেছে মেলামেশার সুযোগ। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে মেজাজ হয়ে পড়েছে আরও খিটখিটে। ইস্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মন ভাল নেই টুবান, পিউ, সৌম্যদের। করোনার চোখ রাঙানি আর কতদিন সেই অপেক্ষায় দিন গুনছেন সবাই।

বিদ্যালয়ে রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন

মেদিনীপুর, ১০ মে ২০২১: গত ৯ মে রবিবার শ্যামসুন্দরপুর রামকৃষ্ণ বিদ্যাপীঠে সাড়ম্বরে পালিত হল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬০তম জন্মবার্ষিকী। স্কুলের প্রার্থনা সভাগৃহে প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন প্রাক্তন ছাত্র তথা স্বনামধন্য লেখক অনির্বাণ মণ্ডল। তিনি তাঁর বক্তব্যে বর্তমান সময়ের সাম্প্রদায়িকতা ও রবীন্দ্রনাথের আদর্শের কথা তুলে ধরেন। এরপর উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করে স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। এছাড়াও কবিতা পাঠ, বক্তব্য, সঙ্গীত পরিবেশন, নৃত্যে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নিয়েছিল স্বতঃস্ফূর্তভাবে। এদিনের অনুষ্ঠানের মুখ্য আকর্ষণ ছিল ছাত্র-ছাত্রীদের সমবেত প্রচেষ্টায় অভিনীত নাটক ‘বিসর্জন’। এদিন স্কুলের প্রধান শিক্ষক, মাননীয় শেখ আবদুল গফুর মিঞা মহাশয় কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান করেন। রবীন্দ্রনাথের মেদিনীপুর আগমন ও বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের মেদিনীপুর শাখার সূচনার কথাও তিনি স্মরণ করেন তাঁর বক্তব্যে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হল বর্ধমানে

নিজস্ব সংবাদদাতা, বর্ধমান, ২২ ফেব্রুয়ারি: গতকাল বর্ধমান শহর জুড়ে পালিত হল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। পুরসভা, স্কুল ও লাইব্রেরিগুলির উদ্যোগ ছিল চোখে পড়বার মতো। ‘রবীন্দ্রসদন’ সভাগৃহে সারাদিন ধরেই নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। গফফার চৌধুরীর লেখা সেই অমর গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো…’ দিয়ে উদ্বোধন হয় প্রভাতী অনুষ্ঠানের। সালটা ছিল ১৯৫২।

২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা শহরে প্রাণ দিয়েছিলেন বরকত, ওসমানের মতো পাঁচ ছাত্র। দিনটিকে ইউনেস্কো ২০০০ সালে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’-এর মর্যাদা দেয়। সভার মনোজ্ঞ আলোচনায় উঠে আসে সেই ইতিহাস। অধ্যাপক ও শশিভূষণ রায়, মাননীয় সাংসদ ও বিধায়ক ছিলেন উপস্থিত। এছাড়া বর্ধমান শহরের পাবলিক লাইব্রেরির উদ্যোগও ছিল অভিনব। ভাষাশহীদদের চরিত্র হিসেবে দেখিয়ে একটি মৌলিক নাটক মঞ্চস্থ হয় লাইব্রেরি সভাগৃহে। ছাত্র-ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে ‘শুভ দৃষ্টান্ত’ হিসেবেই দেখছেন সমাজকর্মী ও শিক্ষক শ্রী সুশান্ত চট্টরাজ। ‘আরো বই পড়ুন, বাংলা বই পড়ুন’- লাইব্রেরির তরফে এই মর্মে লাগানো হয়েছিল দেওয়াল জোড়া পোস্টার। দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে প্রয়োজনীয় বইখাতা তুলে দেওয়ারও উদ্যোগ নিয়েছিলেন তরুণ সদস্যরা।

সুস্বাস্থ্যের বার্তা নিয়ে শুরু নির্মল বিদ্যালয় অভিযান

নিজস্ব সংবাদদাতা, ১০ আগস্ট ২০১৬: খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া কর্মসূচি দিয়ে সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা জুড়ে বিদ্যালয়গুলিতে সপ্তাহব্যাপী নির্মল বিদ্যালয় কর্মসূচি শুরু হল। আজ, বুধবার প্রাথমিক স্কুলের পড়ুয়ারা মন্ত্রী সংসদ গঠন করে ‘কেন নিরাপদ পানীয় জল ব্যবহার জরুরি’- তা নিয়ে আলোচনা করবে। শিক্ষকদের নেতৃত্বে এলাকার কতগুলি পরিবার সুলভ শৌচাগার ব্যবহার করেন এবং পানীয় জলের উৎস সম্পর্কে সমীক্ষা করে ওই রিপোর্ট স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য কিংবা প্রধানের কাছে তুলে ধরবে খুদে পড়ুয়ারা।

১২ এবং ১৪ আগস্ট দু’দিন খোলা জায়গায় মলমূত্র ত্যাগের কুফল সম্পর্কে আলোচনা করে পড়ুয়াদের সচেতন করে সেই বার্তা এলাকার বাসিন্দাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এদিন সবং ব্লকের পূর্বচক্রের অধীন প্রাথমিক স্কুলগুলিতে প্রার্থনা সঙ্গীতে নির্মল বিদ্যালয়ের গান গেয়ে ওই কার্যক্রমের সূচনা হয়। সবং ব্লকের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সায়ন দত্ত জানান, আগামী ১৪ আগস্ট প্রতিটি বিদ্যালয়ে মিড ডে মিলের পরে ছাত্র-ছাত্রীদের কৃমিনাশক বড়ি খাওয়ানো হবে। পর্যায়ক্রমে পরিবেশের পরিচ্ছন্নতার উপরে স্কুল পড়ুয়াদের বসে আঁকো প্রতিযোগিতা ও সচেতনতার প্রচার মিছিলের মাধ্যমে আগামী ১৭ আগস্ট, শেষ হবে সপ্তাহব্যাপী এই কর্মসূচি।

বি.দ্র: এখানে বেশকয়েকটি প্রতিবেদন রচনা উদাহরণ স্বরূপ দেওয়া হল। প্রতিবেদন রচনা গুলির মধ্যে যদি কোনরকম ভুল বা ভাষাগত বা টাইপিং ত্রুটি থাকে তবে আমরা সেই ত্রুটির জন্য ক্ষমা চেয়ে নিলাম। কোন ভুল চোখে পড়লে কমেন্ট করে জানাবে আমরা সংশোধন করে দিবো।

Leave a Comment